হামের লক্ষণ ও প্রতিকার, যা জানা জরুরি....see more
বর্তমানে শিশুদের মধ্যে ‘রুবেলা’ ভাইরাসের সংক্রমণ বা হামের প্রাদুর্ভাব লক্ষ করা যাচ্ছে। এটি একটি অতিসংক্রামক রোগ, যা হাঁচি-কাশির মাধ্যমে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। সঠিক সময়ে টিকা না দেওয়া এবং সচেতনতার অভাবে অনেক শিশু জটিল স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পড়ছে।হামের লক্ষণসমূহ
হামে আক্রান্ত হলে সাধারণত শিশুর শরীরে নিচের লক্ষণগুলো দেখা দেয় :
তীব্র জ্বর ও কানাক দিয়ে পানি পড়া ও চোখ লাল হয়ে যাওয়া।
জ্বরের চার দিনের মাথায় মুখ থেকে শুরু করে সারা শরীরে লালচে র্যাশ বা দানা ওঠা।
কেন এটি বিপজ্জনক?
হাম শুধু একটি সাধারণ জ্বর নয়, এটি শিশুর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা সাময়িকভাবে নষ্ট করে দেয়। এর ফলে দেখা দিতে পারে নানা জটিলতা :শারীরিক জটিলতা : নিউমোনিয়া, মারাত্মক ডায়রিয়া, কানপাকা ও মুখে ঘা।
২। দৃষ্টিশক্তি হারানো : শরীরে ভিটামিন এ-র অভাব দেখা দেয়, যা থেকে রাতকানা এমনকি অন্ধত্ব হতে পারে।
৩।
মস্তিষ্কের ক্ষতি : কিছু ক্ষেত্রে মস্তিষ্কের প্রদাহ বা মারাত্মক অপুষ্টি দেখা দিতে পারে।
টিকা ও বর্তমান পরিস্থিবাংলাদেশে ৫ বছরের কম বয়সী শিশুদের ৯ মাস ও ১৫ মাস বয়সে দুই ডোজ ‘এমআর’ (মিজলস রুবেলা) টিকা দেওয়া হয়। ২০২৫ সালের তথ্য অনুযায়ী, দেশের ৮৮ শতাংশ শিশু এই টিকা নিয়েছে। তবে যারা এখনো টিকা পায়নি বা শুধু এক ডোজ নিয়েছে, তাদের আক্রান্ত হওয়ার এবং অন্যদের মধ্যে রোগটি ছড়ানোর ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি।অভিভাবকদের করণীয়
শিশুর জ্বর বা র্যাশ দেখা দিলে অন্তত ৫ দিন শিশুকে অন্যদের কাছ থেকে আলাদা রাখুনদ্রুত চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যান এবং পরামর্শ অনুযায়ী উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ান। শ্বাসকষ্ট, বারবার বমি, খিঁচুনি বা চোখের মণি ঘোলা হয়ে গেলে দেরি না করে হাসপাতালে ভর্তি করাতে হবে।।তি
১।শি
🎁 Your Special Offer is Loading...
Please wait a moment. You'll be redirected automatically after the countdown.
⏳ Stay here — your offer will open in a new page.
✅ Redirect happens only once per session.

Comments
Post a Comment