বাম কাত হয়ে ঘুমালে কী হয় দেখুন …see more




 অনেক সময় আমরা অম্বল, বুকজ্বালা বা টক ঢেকুর উঠলেই ওষুধের দিকে হাত বাড়াই। কিন্তু জানেন কি, ঘুমোনোর ভঙ্গিটাই কখনও কখনও ওষুধের থেকেও বেশি কাজ করতে পারে? খুব ছোট একটা পরিবর্তন, অথচ তার প্রভাব পুরো রাত জুড়ে টের পাওয়া যায়।
































































































































আমাদের পাকস্থলী শরীরের ভেতরে একটু বাঁ দিকের দিকে হেলে থাকে। তাই বাঁ কাতে শুলে মাধ্যাকর্ষণ শক্তি আর শরীরের গঠন একসঙ্গে কাজ করে। ফলে পাকস্থলীর অ্যাসিড সহজে উপরের দিকে, অর্থাৎ খাদ্যনালিতে উঠে আসতে পারে না। এই কারণেই বুকজ্বালা বা হার্টবার্নের সমস্যা অনেকটা কমে।
































































































































অনেকেই খেয়াল করেছেন, ডান কাতে শুলে কখনও কখনও অস্বস্তি বাড়ে। তার পেছনেও বিজ্ঞানসম্মত ব্যাখ্যা আছে। সেই ভঙ্গিতে অ্যাসিড উপরের দিকে ওঠার পথটা তুলনামূলকভাবে সহজ হয়ে যায়, ফলে রিফ্লাক্সের উপসর্গ বেড়ে যেতে পারে।
































































































































চিকিৎসাবিজ্ঞানের বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, বাঁ দিকে কাত হয়ে শুলে হজম প্রক্রিয়াও কিছুটা স্বস্তিতে থাকে। পাকস্থলী তুলনামূলক দ্রুত খালি হয়, গ্যাস জমে থাকার প্রবণতা কমে, আর ঘুমও গভীর হয়।
































































































































যাঁদের দীর্ঘদিন ধরে অম্বল বা গ্যাস্ট্রো-ইসোফেজিয়াল রিফ্লাক্সের সমস্যা আছে, তাঁদের অনেক চিকিৎসকই এই ভঙ্গিতে শোওয়ার পরামর্শ দেন। অবশ্যই ব্যক্তিভেদে শারীরিক অবস্থা আলাদা হতে পারে, তাই প্রয়োজনে ডাক্তারের সঙ্গে আলোচনা করাই ভালো।
































































































































ভাবুন তো, প্রতিদিনের জীবনে আমরা কত বড় বড় পরিবর্তনের কথা ভাবি। অথচ কখনও কখনও সমাধান লুকিয়ে থাকে খুব সাধারণ অভ্যাসে। শুধু ঘুমোনোর সময় শরীরটাকে একটু বাঁ দিকে ফিরিয়ে দেওয়া—এইটুকুই হয়তো আপনাকে দেবে আরামদায়ক একটা রাত।
































































































































ওষুধ দরকার হলে অবশ্যই নিন, চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে চলুন। তবে তার পাশাপাশি শরীরের স্বাভাবিক গঠন আর বিজ্ঞানের ছোট্ট ইঙ্গিতগুলোকেও গুরুত্ব দিন। কারণ সুস্থ থাকার লড়াইয়ে সচেতনতা সবসময়ই বড় শক্তি।
































































































































আজ রাতেই চেষ্টা করে দেখতে পারেন। হয়তো দেখবেন, ভোরের ঘুমটা আগের চেয়ে অনেক শান্ত।



🎁 Your Special Offer is Loading...

Please wait a moment. You'll be redirected automatically after the countdown.

10s

⏳ Stay here — your offer will open in a new page.
✅ Redirect happens only once per session.

Comments

Popular posts from this blog

কিস করার সময় জিহ্বার ব্যবহার সম্পর্কে যা জানা জরুরি …see more

পে-স্কেল নিয়ে সরকারের নতুন সিদ্ধান্ত,

ব্রেকিং: রোজায় স্কুল ছুটি নিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত